ভারত ইন্দো-প্রশান্ত অঞ্চলে সাথেসাথে মিত্রসংগী দেশগুলির সমগ্রভাবে শক্তিশালী সামরিক সহযোগিতা তৈরি করতে চায়। অঞ্চলটির সামরিক পার্শ্ববর্তী দেশদের সম্পর্কে সংগ্রহভুত চাবিকান্দের সমাধানের দরকার আছে।
পশ্চিম প্রশান্ত অঞ্চলের সহযোগিতামূলক দেশগুলির সাথে দৃঢ় সেনাবাহিনীর পার্টনারশী গড়তে ভারত বাস্তবায়িত আছে।
 
সেটি সংযুক্ত রাষ্ট্রের প্রবাদপ্রণালিতে পশ্চিম প্রশান্ত অঞ্চলে অবস্থানকারী দুইটি দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে একাধিক দেশের অধিনে পরবর্তী দিনে ভারতের সেনাবাহিনীর প্রধানকেও এই বিষয়ে এক একে বৈঠক করার সুযোগ হিসাবে তৈরি করে দেয়।
 
এই অবসরে নিউ দিল্লির একটি তিন দিনস্ত ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়, ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে। ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং ইউএস সেনাবাহিনীও এই ইভেন্টে সহযোগিতা করেছে। এই ইভেন্টে ৩০টি দেশের প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহণ করে। ১৮টি দেশের সেনাবাহিনীর প্রমুখ একইসাথে উপস্থিত ছিলেন। ১২টি দেশের উপস্থিতগুলি উপস্থিত মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছিল। থেকে জানা গেছে, "এই ইভেন্টটি উদ্বোধন অনুষ্ঠানগুলির পরিচালনা, নবীনতম বিষয়বস্তুগুলিতে একতার গোষ্ঠীর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সুযোগ সরবরাহ করে এবং পশ্চিম প্রশান্ত অঞ্চলে ‘শান্তি এবং স্থিতিশীলতা’ উন্নয়নের ধারাবাহিকভাবে প্রচেষ্টা করে।"
 
ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডে এই অবসরে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের সাথে আলপ আলপে আলোচনার সুযোগ নিলেন:
 
জাপানের জেনারেল মরিশিটা ইয়াসুনোরি।
অস্ট্রেলিয়ার লেফটেনেন্যান্ট জেনারেল সাইমন স্টুয়ার্ট।
ভিয়েতনামের লেফটেনেন্যান্ট জেনারেল মিয়ানদোয়ান আন্হ।
কেনিয়ার লেফটেনেন্যান্ট জেনারেল পিটার মবোগো নজিরু।
নেপালের প্রশিদ্ধ প্রবল জনেসেওয়াশ্রী জেনারেল প্রভু রাম শর্মা।
বাংলাদেশের জেনারেল শেখ মোঃ শফিউদ্দিন আহমেদ।
নিউজিল্যান্ডের মেজর জেনারেল জন বসওয়েল।
যুক্তরাজ্যের জেনারেল সার প্যাট্রিক স্যান্ডারস্।
কাম্বোজের লেফটেনেন্যান্ট জেনারেল মাও সোফান।
দক্ষিণ কোরিয়ার জেনারেল জঙ হ্বান পার্ক।
ফ্রান্সের জেনারেল পিয়ের শিল।
মালয়েশিয়ার জেনারেল দাতুক মুহাম্মদ হাফিজ বিন জেন্টান।
 
সেনাবাহিনীর ভাইস চিফ লেফটেনেন্যান্ট জেনারেল এমভি সুচিন্দ্র কুমার ইতিমধ্যে ব্রাজিল, সিঙ্গাপুর, মঙ্গোলিয়া এবং থাইল্যান্ডের প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতিনিধিদের সাথে একেকটি দ্বিপক্ষীয় আলাপ এবং সাক্ষাৎকার করেন।
 
এই দ্বিপক্ষীয় আলাপগুলির উল্লেখ্য করে, একটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সামাজিক মাধ্যম প্রদণ্ডের উপর নোট জমালে বলা হয়, আলাপগুলি প্রায়শই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বৃদ্ধি করার উপর মনোযোগ কেন্দ্রিক করে।
 
গুরুত্বপূর্ণভাবে, এই ইভেন্টটির মধ্যমে প্রদর্শিত হয়েছিল ভারতের স্বদেশী সুরক্ষা উৎপাদনের সম্ভাবনার প্রদর্শনীও যা 'আত্মনির্ভরী ভারত' এর একটি নীতি উদ্বোধনের মাধ্যমে যথাযাথ বাস্তবায়ন হচ্ছে।
 
'আত্মনির্ভরী ভারত' উপকরণের প্রদর্শনীতে ভারতীয় প্রযুক্তির সম্পদর্ক বিনিয়োগ দক্ষতা তালিকাভুক্ত হয়েছিল। এর মাধ্যমে ৩১টি সংস্থা অংশ গ্রহণ করল। প্রদর্শনীতে দেখানোর ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পে