করোনাকালে ভারত সরকারের ভূমিকা বাঁচিয়েছিল কোটি প্রাণ: স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্ট


|

করোনাকালে ভারত সরকারের ভূমিকা বাঁচিয়েছিল কোটি প্রাণ: স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্ট
প্রতীকী ছবি
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে করোনার বিস্তার প্রতিরোধ আর নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রথম দফার লকডাউন।

কোভিড মহামারির ভয়ঙ্কর সময় এখন অতীত। কিন্তু ভারত সরকারের কোভিড - ১৯ মহামারির সময়কালে গ্রহণ করা কর্মসূচি এখনও বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আগ্রহের বিষয়। যার প্রমাণ দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট। সেখানে বলা হয়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে ও দেশের মানুষের প্রাণ বাঁচাতে লকডাউন আর টিকাকরণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছে।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধ আর নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রথম দফার লকডাউন। টানা ১৭৫ দিন লকডাউন হয়েছিল। যদিও ফ্রান্স, ইতালির মত দেশগুলিতে লকডাউন হয়েছিল ৫০ দিনের মত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে একাধিক পদক্ষেপ করে ছিল মোদী সরকার। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ওপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র, রাজ্য ও জেলা স্তরেও স্বাস্থ্য অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছিল।

স্ট্যানফোর্ড রিপোর্টে লকডাউন পর্বে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের সুবিধের জন্য মোদী সরকার যেসব প্রকল্পগুলি নিয়েছিল সেগুলোর কথাও তুলে ধরা হয়েছে বলা হয়েছে গরিব কল্যাণ যোজনার মাধ্যমে প্রচুর মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছিল। কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সময় যে খাদ্যশস্য বিলি করা হয়েছিল তার কথাও উল্লেখ রয়েছে রিপোর্ট। এই প্রকল্প দেশের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের মূল উদ্দেশ্যই ছিল কোনও মানুষ যাতে খালি পেটে ঘুমাতে না যায় তা নিশ্চিত করা।

লকডাউনের কারণে প্রচুর মানুষ কাজ হারিয়েছিল। সেক্ষেত্রে তাদের জন্য নতুন করে কাজের সুযোগও তৈরি করেছিল মোদী সরকার। আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ সুবিধে পেয়েছেন। আর্থিক প্রভাব ছিল ৭ বিলিয়ন ডলার। জনগণের ১২৫ দিনের কাজ নিশ্চিত করা উদ্দেশ্য ছিল এই প্রকল্পের মাধ্যমে।

কৃষিখাতেও কেন্দ্রীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিল। নাবার্ড প্রকল্পের মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছিল । যার অধিকাংশ টাকাই সমবায় ও গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলোর মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। রিপোর্টে উল্লেখ করা হ কিষান ক্রেডিট কার্ডের কথাও। বলা হয়েছে ২ লক্ষ কিষান ক্রেডিট কার্ড বিলি করা হয়েছিল। কৃষকদের লোকসান থেকে বাঁচানোই মূল উদ্দেশ্য ছিল মোদী সরকারের।

কোভিড টিকা ৩৪ কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টে। ২০২১ সাল থেকেই ভারতে কোভিড টিকা চালু হয়েছিল। রিপোর্টে বলা হয়েছিল টিকার কারণে জীবন আর জীবিকা দুটোই বেঁচেছিল। আর টিকার কারণে ভারতের অর্থনীতি চাঙ্গা ছিল।

কোভিড টিকা প্রবীণদের পাশাপাশি তরুণ ও মধ্যবয়স্কদেরও জীবন বাঁচিয়েছিল। কোভিড টিকার কারণে জিডিপি তেমনভাবে পড়ে যায়নি বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। কেন্দ্রীয় সরকারের টিকা কর্মসূচির কারণে দেশটির আর্থনীতি দ্রুত পুনরুদ্ধার হয়েছিল। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক

প্রথমবারের মতো নারী শান্তিরক্ষীদের সম্মেলন করবে ভারত
প্রথমবারের মতো নারী শান্তিরক্ষীদের সম্মেলন করবে ভারত
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কেন্দ্রের সহযোগিতায় এই সম্মেলন আয়োজন করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
|
হন্ডুরাসে মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছে ভারত
হন্ডুরাসে মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছে ভারত
ভারত এর আগে আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশগুলোর জন্য মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে।
|
ভূটানের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সম্পর্কে গতি
ভূটানের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সম্পর্কে গতি
ভারত ও ভুটানের অনন্য ও ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
|
প্রতিযোগিতার চেয়ে সহযোগিতা জরুরি; জি২০ বৈঠকে জয়শঙ্কর
প্রতিযোগিতার চেয়ে সহযোগিতা জরুরি; জি২০ বৈঠকে জয়শঙ্কর
সরবরাহ চেইনের কেন্দ্রীকরণ, বাণিজ্য ও অর্থ ব্যবস্থার অস্ত্রায়ন এবং তথ্য প্রবাহের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জয়শঙ্কর।
|
নির্বাচনে বিদেশী হস্তক্ষেপের অভিযোগ উদ্বেগজনক: ভারত
নির্বাচনে বিদেশী হস্তক্ষেপের অভিযোগ উদ্বেগজনক: ভারত
“সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও সংস্থাগুলো এই বিষয়ে তদন্ত করছে,” জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
|