ভারত এবং থাইল্যান্ড দুটি দেশ একটি সম্পূর্ণ পর্যালোচনা করে দুপুরভাগের সম্পর্কগুলি সমীক্ষা করা হচ্ছে।
ভারত ও থাইল্যান্ড একসঙ্গে বাণিজ্যিক এবং বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা, এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো দৃঢ় করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এটি ভারত ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সোমবার (৭ আগষ্ট ২০২৩) ব্যাংকক অনুষ্ঠিত সাতম বিদেশ দপ্তর পরামর্শ (এফওসি) সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বাইর্য বিষয়শ্রেণীর (মিইএ) অনুযায়ী, দুটি প্রান্ত বিষয়বস্তুতে সামূহিক পর্যালোচনা করে নেওয়া হয়েছে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, এমএসএমইজ, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে সহযোগিতা আরো দৃঢ় করার লক্ষ্যে নানা ক্ষেত্রে সহকারীদের সাথে সবিনিম্ন মিতিমাত একমত হয়েছে। তারা আপনাদের বৈশিষ্ট্যিক যোগাযোগগুলির নিয়মিত সভা স্বাগত করেছে।
ইতিপূর্বে ভারত ও থাইল্যান্ড নতুন বছরে, সম্প্রতি বৃদ্ধি পাওয়া বৈদেশিক বাণিজ্যের পর্যায়ে গঠিত স্বীকৃতি ছাড়াছাড়ি করার লক্ষ্যে ধ্রুবকপূর্ণ সম্পর্ক চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ণয় নেওয়া হয়েছে যে, পর্যাপ্ত সম্ভাবনার মাধ্যমে নিয়মিত সরকার পর সরকার এবং ব্যবসায়িক ইন্টারেকশন এবং ব্যবসা সহযোগিতা দ্বারা তার সম্ভাব্যতা ব্যবহার করতে।
দুটি প্রান্ত সুতরাং আব্যঞ্জন করেছে, শ্রী লঙ্কাদ্বীপ ভারত-থাইল্যান্ড ত্রিপুত্র হাইওয়ে এবং বড় বন্ধনের মধ্যে একটা যোগায় উপযোগী হওয়া উচিত এমনও অবকাঠামোগুলি সম্পর্কে চিন্তা ব্যক্ত করে।
উভয় প্রান্তগুলি অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি, পর্যটন, মানুষ প্রবণতা, করোনার পর অর্থনৈতিক সাহায্য, টিকা সহযোগিতা এবং অন্যান্য স্বপ্রজাতিগত আগ্রহের সমস্যাগুলি সমীক্ষা করেছে।
এটি ভারত ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সোমবার (৭ আগষ্ট ২০২৩) ব্যাংকক অনুষ্ঠিত সাতম বিদেশ দপ্তর পরামর্শ (এফওসি) সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বাইর্য বিষয়শ্রেণীর (মিইএ) অনুযায়ী, দুটি প্রান্ত বিষয়বস্তুতে সামূহিক পর্যালোচনা করে নেওয়া হয়েছে এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, এমএসএমইজ, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে সহযোগিতা আরো দৃঢ় করার লক্ষ্যে নানা ক্ষেত্রে সহকারীদের সাথে সবিনিম্ন মিতিমাত একমত হয়েছে। তারা আপনাদের বৈশিষ্ট্যিক যোগাযোগগুলির নিয়মিত সভা স্বাগত করেছে।
ইতিপূর্বে ভারত ও থাইল্যান্ড নতুন বছরে, সম্প্রতি বৃদ্ধি পাওয়া বৈদেশিক বাণিজ্যের পর্যায়ে গঠিত স্বীকৃতি ছাড়াছাড়ি করার লক্ষ্যে ধ্রুবকপূর্ণ সম্পর্ক চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ণয় নেওয়া হয়েছে যে, পর্যাপ্ত সম্ভাবনার মাধ্যমে নিয়মিত সরকার পর সরকার এবং ব্যবসায়িক ইন্টারেকশন এবং ব্যবসা সহযোগিতা দ্বারা তার সম্ভাব্যতা ব্যবহার করতে।
দুটি প্রান্ত সুতরাং আব্যঞ্জন করেছে, শ্রী লঙ্কাদ্বীপ ভারত-থাইল্যান্ড ত্রিপুত্র হাইওয়ে এবং বড় বন্ধনের মধ্যে একটা যোগায় উপযোগী হওয়া উচিত এমনও অবকাঠামোগুলি সম্পর্কে চিন্তা ব্যক্ত করে।
উভয় প্রান্তগুলি অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি, পর্যটন, মানুষ প্রবণতা, করোনার পর অর্থনৈতিক সাহায্য, টিকা সহযোগিতা এবং অন্যান্য স্বপ্রজাতিগত আগ্রহের সমস্যাগুলি সমীক্ষা করেছে।
যোগাযোগ করুন
আমাদের সদস্যতা


Contact Us
Subscribe
News Letter 
