ওয়াশিংটনে বিমানের ইঞ্জিন নির্মাতা জিই এরোস্পেস-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড।
বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে বিমানের ইঞ্জিন নির্মাতা জিই এরোস্পেস-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (এইচএএল)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদীর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের অন্যতম বড় উদ্দেশ্য এটি।
ভারতে জিই এরোস্পেস-এর এফ৪১৪ ইঞ্জিন সহ-উত্পাদিত হবে। এইচএএল -এর তেজস হালকা ওজনের যুদ্ধবিমান এমকে২-তে এই ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে। এই প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশের বাইরে কোনও দেশের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ সরঞ্জামের এহেন গুরুত্বপূর্ণ নকশা শেয়ার করেছে এবং সহ-উত্পাদনের অনুমতি দিচ্ছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের প্রযুক্তি সম্পর্কে খুবই গোপনীয়তা মেনে চলে। সাধারণত কোনও দেশের সঙ্গে এই তথ্য তারা শেয়ার করে না। কিন্তু এই প্রথম ভারতকে সম্পূর্ণ ইঞ্জিনের অ্যাক্সেস দেওয়া হচ্ছে। ওয়াশিংটনে মার্কিন সংস্থা ঘোষণা করেছে, এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে চলেছে। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যাবে এই চুক্তি।
“এই চুক্তিতে ভারতে জিই এরোস্পেস-এর এফ৪১৪ ইঞ্জিনের যৌথ উত্পাদন করা হবে। জিই এরোস্পেস এর জন্য প্রয়োজনীয় রফতানি সংক্রান্ত অনুমোদন পেতে মার্কিন সরকারের সঙ্গে কাজ করে চলেছে। এই প্রচেষ্টা ভারতীয় বিমান বাহিনীর এলসিএ এমকে২ প্রোগ্রামের অংশ”
এক বিবৃতিতে জানিয়েছে সংস্থা। বাণিজ্য, রাজ্য এবং প্রতিরক্ষা ডিপার্টমেন্ট আন্তর্জাতিক ট্রাফিক ইন আর্মস রেগুলেশনস সংক্রান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছে। তবে কংগ্রেসের ছাড়পত্র পেতে এখনও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে।
এই চুক্তিতে এলসিএ এমকে ০২ প্রোগ্রামের অংশ হিসাবে আইএএফ-এর জন্য ইঞ্জিন তৈরি করা হবে। এর আগেই জিই অ্যারোস্পেস এই বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেবে। এলসিএ এমকে২ আগামিদিনে ভারতীয় বায়ুসেনারর যুদ্ধবিমানের ফ্লিটের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি কয়েক ডজন সশস্ত্র ড্রোন কেনার কথা ভারতের। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বড় সশস্ত্র ড্রোন কেনার আগ্রহ প্রকাশ করছে। কিন্তু নানা কারণে ক্রমেই “সিগার্ডিয়ান” ড্রোনগুলির চুক্তি বারবার পিছিয়ে গিয়েছে। এই বিশাল চুক্তির অঙ্ক ২-৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে পারে। অর্থাত্ ১৭-২৫ হাজার কোটি টাকার আশেপাশে। এর অধীনে আগামী বেশ কয়েক বছর ধরে ভারতকে অত্যাধুনিক সশস্ত্র ড্রোন সরবরাহ করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক
ভারতে জিই এরোস্পেস-এর এফ৪১৪ ইঞ্জিন সহ-উত্পাদিত হবে। এইচএএল -এর তেজস হালকা ওজনের যুদ্ধবিমান এমকে২-তে এই ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে। এই প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশের বাইরে কোনও দেশের সঙ্গে তাদের যুদ্ধ সরঞ্জামের এহেন গুরুত্বপূর্ণ নকশা শেয়ার করেছে এবং সহ-উত্পাদনের অনুমতি দিচ্ছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের প্রযুক্তি সম্পর্কে খুবই গোপনীয়তা মেনে চলে। সাধারণত কোনও দেশের সঙ্গে এই তথ্য তারা শেয়ার করে না। কিন্তু এই প্রথম ভারতকে সম্পূর্ণ ইঞ্জিনের অ্যাক্সেস দেওয়া হচ্ছে। ওয়াশিংটনে মার্কিন সংস্থা ঘোষণা করেছে, এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে চলেছে। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যাবে এই চুক্তি।
“এই চুক্তিতে ভারতে জিই এরোস্পেস-এর এফ৪১৪ ইঞ্জিনের যৌথ উত্পাদন করা হবে। জিই এরোস্পেস এর জন্য প্রয়োজনীয় রফতানি সংক্রান্ত অনুমোদন পেতে মার্কিন সরকারের সঙ্গে কাজ করে চলেছে। এই প্রচেষ্টা ভারতীয় বিমান বাহিনীর এলসিএ এমকে২ প্রোগ্রামের অংশ”
এক বিবৃতিতে জানিয়েছে সংস্থা। বাণিজ্য, রাজ্য এবং প্রতিরক্ষা ডিপার্টমেন্ট আন্তর্জাতিক ট্রাফিক ইন আর্মস রেগুলেশনস সংক্রান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছে। তবে কংগ্রেসের ছাড়পত্র পেতে এখনও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে।
এই চুক্তিতে এলসিএ এমকে ০২ প্রোগ্রামের অংশ হিসাবে আইএএফ-এর জন্য ইঞ্জিন তৈরি করা হবে। এর আগেই জিই অ্যারোস্পেস এই বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেবে। এলসিএ এমকে২ আগামিদিনে ভারতীয় বায়ুসেনারর যুদ্ধবিমানের ফ্লিটের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি কয়েক ডজন সশস্ত্র ড্রোন কেনার কথা ভারতের। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বড় সশস্ত্র ড্রোন কেনার আগ্রহ প্রকাশ করছে। কিন্তু নানা কারণে ক্রমেই “সিগার্ডিয়ান” ড্রোনগুলির চুক্তি বারবার পিছিয়ে গিয়েছে। এই বিশাল চুক্তির অঙ্ক ২-৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে পারে। অর্থাত্ ১৭-২৫ হাজার কোটি টাকার আশেপাশে। এর অধীনে আগামী বেশ কয়েক বছর ধরে ভারতকে অত্যাধুনিক সশস্ত্র ড্রোন সরবরাহ করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক
যোগাযোগ করুন
আমাদের সদস্যতা


Contact Us
Subscribe
News Letter 
