প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, ভারতের কৃষকরা ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য সাম্প্রতিককালে প্রযুক্তির উপর জোর দিয়েছেন।
শুক্রবার কৃষিমন্ত্রীদের নিয়ে জি-২০ মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মূলত বিশ্বজুড়ে খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত যে চ্যালেঞ্জ সেটা মোকাবিলার উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই সংক্রান্ত যে চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেটার উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রে নতুন ও পুরানো ব্যবস্থার মধ্য়ে মেলবন্ধনের কথা বললেন তিনি।
হায়দরাবাদে তিনদিনের মিটিং। প্রধানমন্ত্রী ভিডিয়ো বার্তার মাধ্যমে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা, তার ফলাফলের উপর আলোকপাত করেন।
তিনি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কৃষিক্ষেত্র থেকে ২.৫ বিলিয়ন মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। পৃথিবীর দক্ষিণাংশে কৃষি থেকে ৩০ শতাংশ জিডিপি ও ৬০ শতাংশ কাজের সুযোগ আসে। কিন্তু বর্তমানে একাধিক সেক্টরে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অতিমারির ক্ষেত্রে যে সমস্যা হয়েছিল সেটাই বর্তমান ভূ- রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আরও বিগড়ে গিয়েছে।
সেই সঙ্গে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানিয়েছেন, ভারতের কৃষি নীতি অনুসারে একটা সংমিশ্রনের কথা বলা হয়। যেখানে ব্যাক টু বেসিকস আর মার্চ টু ফিউচার। অর্থাৎ আগের দিনের যে কৃষিপ্রথা ছিল সেটাকে একেবারে বাদ না দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলা। এই নতুন আর পুরানোর মেলবন্ধন, যুগলবন্দি বা ফিউশনের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
পাশাপাশি প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিকাজের উপর জোর দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, আমাদের কৃষকরা ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য প্রযুক্তির উপর জোর দিয়েছেন। তারা কৃষিক্ষেত্রে সৌরশক্তির ব্যবহার করছেন। মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপর জোর দিচ্ছেন তারা। এমনকী কীটনাশক ছড়ানোর জন্য ড্রোনকেও কাজে লাগানো হচ্ছে। তিনি বলেন, এই যে ফিউশন সেটা আগামী দিনে দেশের কৃষিক্ষেত্রের নানা সমস্যাকে দূরে রাখবে বলে আমি মনে করি।
তিনি বলেন একটা সময় ভারতের ট্রাডিশনাল খাবারের মধ্যে ছিল মিলেট বা বাজরা। কিন্তু সেটাকে দিনের পর দিন ধরে বিশেষ ব্যবহার করা হত না। খাবারের প্লেটে জায়গা পেত না এই খাবার। এনিয়ে কোনও মার্কেটিংয়েরও ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন, এটা তো সুপারফুড। শুধু এটা স্বাস্থ্যকর সেটাই নয়, এটা চাষ করতেও কম জল, কম সার, কীট পতঙ্গের আক্রমণ সেভাবে হয় না। তিনি জানিয়েছেন, ভারতে ইনস্টিটিউট অফ মিলেট রিসার্চও তৈরি হয়েছে।
তিনি প্রান্তিক কৃষকদের কথাও তুলে আনেন। তিনি এক পৃথিবী, এক পরিবার ও উন্নত এক ভবিষ্যতের কথা তুলে ধরেন। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক
হায়দরাবাদে তিনদিনের মিটিং। প্রধানমন্ত্রী ভিডিয়ো বার্তার মাধ্যমে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা, তার ফলাফলের উপর আলোকপাত করেন।
তিনি জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কৃষিক্ষেত্র থেকে ২.৫ বিলিয়ন মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। পৃথিবীর দক্ষিণাংশে কৃষি থেকে ৩০ শতাংশ জিডিপি ও ৬০ শতাংশ কাজের সুযোগ আসে। কিন্তু বর্তমানে একাধিক সেক্টরে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অতিমারির ক্ষেত্রে যে সমস্যা হয়েছিল সেটাই বর্তমান ভূ- রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আরও বিগড়ে গিয়েছে।
সেই সঙ্গে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানিয়েছেন, ভারতের কৃষি নীতি অনুসারে একটা সংমিশ্রনের কথা বলা হয়। যেখানে ব্যাক টু বেসিকস আর মার্চ টু ফিউচার। অর্থাৎ আগের দিনের যে কৃষিপ্রথা ছিল সেটাকে একেবারে বাদ না দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলা। এই নতুন আর পুরানোর মেলবন্ধন, যুগলবন্দি বা ফিউশনের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
পাশাপাশি প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিকাজের উপর জোর দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, আমাদের কৃষকরা ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য প্রযুক্তির উপর জোর দিয়েছেন। তারা কৃষিক্ষেত্রে সৌরশক্তির ব্যবহার করছেন। মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপর জোর দিচ্ছেন তারা। এমনকী কীটনাশক ছড়ানোর জন্য ড্রোনকেও কাজে লাগানো হচ্ছে। তিনি বলেন, এই যে ফিউশন সেটা আগামী দিনে দেশের কৃষিক্ষেত্রের নানা সমস্যাকে দূরে রাখবে বলে আমি মনে করি।
তিনি বলেন একটা সময় ভারতের ট্রাডিশনাল খাবারের মধ্যে ছিল মিলেট বা বাজরা। কিন্তু সেটাকে দিনের পর দিন ধরে বিশেষ ব্যবহার করা হত না। খাবারের প্লেটে জায়গা পেত না এই খাবার। এনিয়ে কোনও মার্কেটিংয়েরও ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন, এটা তো সুপারফুড। শুধু এটা স্বাস্থ্যকর সেটাই নয়, এটা চাষ করতেও কম জল, কম সার, কীট পতঙ্গের আক্রমণ সেভাবে হয় না। তিনি জানিয়েছেন, ভারতে ইনস্টিটিউট অফ মিলেট রিসার্চও তৈরি হয়েছে।
তিনি প্রান্তিক কৃষকদের কথাও তুলে আনেন। তিনি এক পৃথিবী, এক পরিবার ও উন্নত এক ভবিষ্যতের কথা তুলে ধরেন। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক
যোগাযোগ করুন
আমাদের সদস্যতা


Contact Us
Subscribe
News Letter 
