ভারতের প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, এসসিও সদস্যদের পাশাপাশি দুই পর্যবেক্ষক বেলারুশ এবং ইরানও অংশ নেবে এবারের বৈঠকে।
চলতি সপ্তাহের শেষে এসসিও সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠক। তবে তার আগে ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং চীন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে যাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।
কূটনৈতিক মহল মনে করছে, ভারতের সীমান্ত ও ভূ-রাজনীতি ইস্যুতে এই বৈঠকগুলোর যথেষ্ট তাৎপর্য রয়েছে। রাজনাথ ২৭ তারিখ চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি সাংফু ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই সোইগুর সঙ্গে বৈঠক করবেন। আর পরদিন, অর্থাৎ ২৮ এপ্রিল দিল্লিতে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক।
চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এমন এক সময়ে নয়া দিল্লী আসছেন, যখন কার্যত সীমান্ত রেখা নিয়ে ভারত-চিন বিরোধ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পূর্ব লাদাখে চীনের অনুপ্রবেশ ও পুলিশের অবস্থানের তিন বছর পেরিয়ে গেছে। একাধিক কূটনৈতিক ও সামরিক বৈঠকের পরও বরফ গলেনি।
ভারতীয় টহল চৌকি দখল করে নিয়েছে চিনের সেনারা। ভারতও সীমান্তে বিপুল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছে। ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম কোনো চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দিল্লি সফরে আসছেন।
সূত্রের খবর, তাকে লাদাখ সেক্টর থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে বলা হবে এবং সীমান্ত স্বাভাবিক না হলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও খারাপ হবে বলে জানানো হবে। লিকে দেশে ফিরে শীর্ষ নেতৃত্বকে জানাতে বলা হবে।
এছাড়াও, অব্যাহত অস্ত্র সরবরাহের জন্য মূল্য মেটানোর উপায় নিয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের দাম মেটাতে সংকটের মুখে পড়ে ভারত।
এমন নয় যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনা বন্ধ হয়ে গেছে। বরং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা বাড়াতে দুই দেশই রাজনৈতিকভাবে সক্রিয়। তবে সূত্র জানিয়েছে, ডলার নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর উপায় খোঁজা হচ্ছে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক
কূটনৈতিক মহল মনে করছে, ভারতের সীমান্ত ও ভূ-রাজনীতি ইস্যুতে এই বৈঠকগুলোর যথেষ্ট তাৎপর্য রয়েছে। রাজনাথ ২৭ তারিখ চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি সাংফু ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই সোইগুর সঙ্গে বৈঠক করবেন। আর পরদিন, অর্থাৎ ২৮ এপ্রিল দিল্লিতে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক।
চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এমন এক সময়ে নয়া দিল্লী আসছেন, যখন কার্যত সীমান্ত রেখা নিয়ে ভারত-চিন বিরোধ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পূর্ব লাদাখে চীনের অনুপ্রবেশ ও পুলিশের অবস্থানের তিন বছর পেরিয়ে গেছে। একাধিক কূটনৈতিক ও সামরিক বৈঠকের পরও বরফ গলেনি।
ভারতীয় টহল চৌকি দখল করে নিয়েছে চিনের সেনারা। ভারতও সীমান্তে বিপুল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছে। ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম কোনো চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দিল্লি সফরে আসছেন।
সূত্রের খবর, তাকে লাদাখ সেক্টর থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে বলা হবে এবং সীমান্ত স্বাভাবিক না হলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও খারাপ হবে বলে জানানো হবে। লিকে দেশে ফিরে শীর্ষ নেতৃত্বকে জানাতে বলা হবে।
এছাড়াও, অব্যাহত অস্ত্র সরবরাহের জন্য মূল্য মেটানোর উপায় নিয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের দাম মেটাতে সংকটের মুখে পড়ে ভারত।
এমন নয় যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনা বন্ধ হয়ে গেছে। বরং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা বাড়াতে দুই দেশই রাজনৈতিকভাবে সক্রিয়। তবে সূত্র জানিয়েছে, ডলার নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর উপায় খোঁজা হচ্ছে। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক
যোগাযোগ করুন
আমাদের সদস্যতা


Contact Us
Subscribe
News Letter 
