শনিবার, বিশ্বব্যাঙ্কের তরফে ‘হাউ বিহেভিয়ারাল চেঞ্জ ক্যান ট্যাকল ক্লাইমেট চেঞ্জ’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সকলকে একযোগে লড়াইয়ের ময়দানে নামতে হবে। বিশ্বব্যাঙ্কের অনুষ্ঠান ‘মিশন লাইফে’ বক্তৃতা দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “প্রতিটি পরিবার এবং প্রত্যেক ব্যক্তিকে সচেতন করতে হবে কীভাবে তাঁরা পৃথিবীকে বাঁচাতে পারেন।” তিনি আরও বলেন, “চিন্তাভাবনা বদলানোর সময় এসেছে।”
প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাঙ্কের তরফে ‘হাউ বিহেভিয়ারাল চেঞ্জ ক্যান ট্যাকল ক্লাইমেট চেঞ্জ’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে কিভাবে আগামীতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করা যেতে পারে সে বিষয়ে তাঁর নানা মত তুলে ধরেন।
তাঁর স্পষ্ট দাবি, এ বিষয়ে অবশ্যই শুরু করতে হবে গণআন্দোলনের প্রস্তুতি। তাতেই হবে সামগ্রিক পরিবর্তন। এমনকী এই কাজে যে ভারত অনেক আগেই নেমে পড়েছে সে কথাও বলেছেন তিনি। এ ক্ষেত্রে ভারতবাসীদের উদ্যেগের প্রশংসাও করেছেন তিনি। কয়েক বছরে এর জন্য ভারতের অনেক কিছুই করা হয়েছে বলেও বিশ্বব্যাঙ্কের অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে মিশন লাইফের অধীনে সরকারের নানা প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। বিভিন্ন লোকাল সংস্থাগুলিকে আরও বেশি করে পরিবেশবান্ধব করা, জল সংরক্ষণ, শক্তি সঞ্চয়, বর্জ্য এবং ই-বর্জ্যের পরিমাণ কমানো দিকগুলিতে জোর দেওয়ার কথা বলেন মোদী। প্রাকৃতিক উপায়ে চাষাবাদের উপর জোর দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।
মোদীর দাবি, এই প্রচেষ্টাগুলি সফল হলে ২২০০ কোটি ইউনিটেরও বেশি শক্তি সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। নয় ট্রিলিয়ন লিটার জল সাশ্রয় হবে, ৩৭৫০০ কোটি টন বর্জ্য পাবে, প্রায় ১০ লক্ষ টন ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি এর জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭০০০ কোটি ডলার অতিরিক্ত খরচ সঞ্চয় হবে বলেও মনে করছেন তিনি। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক
প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাঙ্কের তরফে ‘হাউ বিহেভিয়ারাল চেঞ্জ ক্যান ট্যাকল ক্লাইমেট চেঞ্জ’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে কিভাবে আগামীতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করা যেতে পারে সে বিষয়ে তাঁর নানা মত তুলে ধরেন।
তাঁর স্পষ্ট দাবি, এ বিষয়ে অবশ্যই শুরু করতে হবে গণআন্দোলনের প্রস্তুতি। তাতেই হবে সামগ্রিক পরিবর্তন। এমনকী এই কাজে যে ভারত অনেক আগেই নেমে পড়েছে সে কথাও বলেছেন তিনি। এ ক্ষেত্রে ভারতবাসীদের উদ্যেগের প্রশংসাও করেছেন তিনি। কয়েক বছরে এর জন্য ভারতের অনেক কিছুই করা হয়েছে বলেও বিশ্বব্যাঙ্কের অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে মিশন লাইফের অধীনে সরকারের নানা প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। বিভিন্ন লোকাল সংস্থাগুলিকে আরও বেশি করে পরিবেশবান্ধব করা, জল সংরক্ষণ, শক্তি সঞ্চয়, বর্জ্য এবং ই-বর্জ্যের পরিমাণ কমানো দিকগুলিতে জোর দেওয়ার কথা বলেন মোদী। প্রাকৃতিক উপায়ে চাষাবাদের উপর জোর দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।
মোদীর দাবি, এই প্রচেষ্টাগুলি সফল হলে ২২০০ কোটি ইউনিটেরও বেশি শক্তি সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। নয় ট্রিলিয়ন লিটার জল সাশ্রয় হবে, ৩৭৫০০ কোটি টন বর্জ্য পাবে, প্রায় ১০ লক্ষ টন ই-বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি এর জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭০০০ কোটি ডলার অতিরিক্ত খরচ সঞ্চয় হবে বলেও মনে করছেন তিনি। খবর: ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক
যোগাযোগ করুন
আমাদের সদস্যতা


Contact Us
Subscribe
News Letter 
